মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে রাঢ়িখাল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কবুতর খোলা গ্রামে একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, কবুতর খোলা দারুল কুরআন মাদ্রাসা সংলগ্ন নির্মাণাধীন কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন পিলারের কাজ করা হয়েছে। নির্মিত পিলার ও বেইজের কাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া, বালু ও পরিমাণের চেয়ে কম সিমেন্টের সংমিশ্রন ব্যবহার করা হয়েছে। এ সময় ঠিকাদার বা কোনো নির্মাণ শ্রমিকে দেখা যায়নি। নির্মিত ভবনের পাশেই স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য একটি টিনের ছাপরা দেখতে পাওয়া গেছে। তাতে চেয়ার টেবিল পাতা থাকলেও কোনো স্বাস্থ্যকর্মীর দেখা মিলেনি। ক্লিনিক প্রাঙণে একটি গাছে অস্থায়ীভাবে লাগানো পল্লীবিদ্যুৎ সংযোগের মিটারটিও খুঁলে নেন বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীরা।
একটি সূত্র জানায়, এখানকার কমিউনিটি ক্লিনেকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যসেবিকার নাম বিউটি। তিনি এখানে মাঝে মধ্যে আসেন। ওই স্বাস্থ্য সেবিকার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাওয়া বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসী জানায়, কবুতর খোলা কমিউনিটি ক্লিনিকের পুরনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। নিম্নমানের উপকরণ সামগ্রী ব্যবহার কাজে অনিয়ম করায় স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ স্থানীয়রা এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের লোকজন বাকবিতন্ডায় জড়ায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কালাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদার আমাদের কথা শুনছেন না। যতটুকু পারি ওই দিকে খেয়াল রাখছি।
শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবু তোহা শাকিল জানান, এইচইডি ইনচার্জ আমাকে জানিয়েছেন এলাকাবাসী কাজে বাঁধা দিচ্ছে। এ ব্যাপারে জানতে ঠিকাদার পাপনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি। এ অবস্থায় কবুতর খোলা কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন নির্মাণ কাজে কত টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে তা সঠিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
মুন্সীগঞ্জ জেলা এইচইডি ইনচার্জ কেএম সালাউদ্দিনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনাদের কাছে অভিযোগকে দিলো? এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি। আমি অফিসের বাহিরে আছি সব জেনে বলতে হবে।









