মদনে বিভিন্ন মুদির দোকানে এভাবেই বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার ছবি- ইত্তেফাকমদনে বিভিন্ন মুদির দোকানে এভাবেই বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার ছবি- ইত্তেফাক
নেত্রকোনার মদনে মুদির দোকানেও বিক্রি হচ্ছে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডার। উপজেলার পৌরসভাসহ আট ইউনিয়নের চিত্র একই রকম। উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে ইলেকট্রনিকের দোকান, ওষুধ, মুদি, মনোহরিসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে এসব সিলিন্ডার। এসব বিক্রেতাদের নেই কোনো বিস্ফোরক লাইসেন্স। এতে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতি, শুক্রবার ও শনিবার উপজেলার দেওয়ান বাজার, পৌর সেন্টার,মদন বাজার,বালালী বাজার,ফতেপুর বাজার,কাইটাইল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মুদির দোকান, তেলের দোকান, ঝুপড়ি, চায়ের দোকান,ইলেকট্রনিকের দোকান এমনকি ওষুধের দোকানেও অবাধে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশসহ জনবহুল এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার গুদামজাত করা হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও মজুত স্থানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের প্রয়োজন হয়। প্রয়োজন হয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতারও। এ ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স, জ্বালানি অধিদপ্তরের লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেওয়ার বিধানও রয়েছে। কিন্তু এ নিয়ম এখানে মানা হচ্ছে না। ফলে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। বিস্ফোরক পরিদফতরের নিয়ম অনুযায়ী, খুচরা দোকানে বিক্রির জন্য সর্বোচ্চ ১০টি গ্যাস সিলিন্ডার রাখা যায়। ১০টির বেশি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে হলে বিস্ফোরক পরিদফতরের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ উপজেলায় গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছে দুই শতাধিক দোকান। কিন্তু কোনটিই সরকারি নির্দেশনা মানছে না।
এলাকার সচেতন মহল বলছেন, পৌরসদরসহ উপজেলার সর্বত্র ব্যঙের ছাতার মতো যত্রতত্র অবৈধ ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দোকান হচ্ছে তাতে যেকোনো মুহূর্তে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। এ ব্যাপারে তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।









