রুম্পা হত্যাকান্ডে সৈকতের চার দিনের রিমান্ড
প্রকাশ:

বিস্তারিত
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার মৃত্যুর ঘটনায় তার ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ আবদুর রহমান সৈকতের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ রবিবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদ এই রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এদিন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সৈকতের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে।
দুপুর দেড়টার দিকে সৈকতকে গোয়েন্দা কার্যালয় থেকে আদালতে পাঠানো হয়। গতকাল শনিবার সৈকতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আজ রমনা থানার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
রুম্পা স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের পড়তেন। মালিবাগের শান্তিবাগে মা ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন রুম্পা। আর রুম্পার বাবা রোকনউদ্দিন হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ কর্মকর্তা। রুম্পার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেনে একিই থানার এসআই আবুল খায়ের।
তিনি জাানান, রুম্পা বুধবার সন্ধ্যার পর বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। সাথে নিজের মোবাইল ফোনও নিয়ে যাননি তিনি। উঁচু থেকে পড়ে সাধারনত শরীরের যে ধরনের জখম হয়, রুম্পার শরীরে সে ধরনের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা খায়ের।
ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই রুম্পার লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কিন্তু তার মৃত্যুর ঘটনাটি এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। তাই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ।
রমনা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, “তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এবং সেখানে কীভাবে তার মরদেহ পড়ে থাকল, সেই বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এবিষয় বিস্তারিত জানা যাবে।
আনন্দবাজার/এফআইবি








