ফের বেড়েই চলেছে কুড়িগ্রামের ধরলার পানি। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জেলার ১৬টি নদ-নদীর পানি বেড়েই চলেছে। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমোর নদের পানি বিপদসীমার একেবারে কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ভয়ানক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নদীর আসে পাশের বেশ কষ্টও বাড়ছে।
তবে এখন প্রযন্ত রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যায় নি, যদি এই ভাবে বাড়তে থাকে তাহলে রাস্তা-ঘাট তলিলে যাবে বলে মনে করা হয়। পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেক যায়গায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিভিন্ন জায়গায় পানি বন্ধি হাওয়ার কারণে সেখানে কিছু গবাদিপশুও মারা যাচ্ছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বৃহস্পতিবারের পূর্বাভাস অনুযায়ী ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, গঙ্গা-পদ্মা ও সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে বৃষ্টি পাত যদি বুদ্ধি পায়। যমুনা নদীর পানি সমতল আগামী ৪৮ ঘন্টায় সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। সুরমা ও কুশিয়ার নদীর পানি সমতল ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল আগামী ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
এদিকে কুড়িগ্রাম সদর ঘোগাদহ ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি বেড়েই চলেছে। ঘোগাদহ ইউনিয়নের প্রথম আলো চরের মো: আছলাম মিয়ার সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে বাড়ির চার দিকে পানি, পানি যেভাবে বাড়তেছে তাতে মনে হয় আবারো বন্যা হবার সম্ভাবনা আছে। শুধু তিনি নন, বর্তমান পরিস্থিতে বণ্যা প্লাবনের ভয়ে আছে সবাই।
নদীর আশে পানি বেড়ে যাওয়ার কারনে, শুকনা খাবার ও বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকটে পড়তে হয় তাদের। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বন্যা দুর্গত এলাকার অনেক পরিবার গবাদিপশু নিয়ে উচু বাঁধ ও পাকা সড়কে আশ্রয় নিয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর এর ঘোগাদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো:শাহ্ আলম মিয়া ফোন আলাপে জানান, বন্যার কারণে এই ইউনিয়নে প্রায় চার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়। এই ইউনিয়নের চর প্রথম আলো, খামার রসুলপুর, কাতলামারি ও বিভিন্ন স্থানে পানি বন্ধি হতে হয়।
আনন্দবাজার/এম.কে








