পর্যটনবান্ধব পরিবেশের জন্য বেশকিছু প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে সংসদীয় কমিটিকে। এর মধ্যে রয়েছে- শুধু পর্যটন বিষয়ক একটি পৃথক সংসদীয় কমিটি বা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অধীন একটি পৃথক সাব কমিটি গঠন করা যায়। যে কমিটি শুধুমাত্র দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে একনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। এ ছাড়া পর্যটন শিল্প খাতটি একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় খাত বিবেচনায় শুধুমাত্র পর্যটন বিষয়ক পৃথক একটি মন্ত্রণালয় গঠনের উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
আরেকটি উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- পর্যটন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত-মনোযোগী-উদ্দীপ্তকরণে ট্যুরিজম শিল্পে উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বা ‘একুশে পদক’ প্রদানে বর্তমান নির্বাচিত বিষয়গুলোর সঙ্গে পর্যটন খাতকে যোগ করে জাতীয় সম্মাননা বা পুরস্কার প্রদানের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করতে পারে।
এছাড়া পর্যটন বিকাশ সংশ্লিষ্ট একটি সংক্ষিপ্ত ও উপযুক্ত উক্তি/স্লোগান নির্বাচন করা যায়, যে উক্তি/স্লোগানটি প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী (সকল পর্যায়), সংসদ সদস্যারা তাদের দাপ্তরিক ও রাজনৈতিক বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে উপস্থাপন করবেন। অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ তাদের বক্তব্যে উক্তি/স্লোগানটি যোগ করবেন। সে সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা থেকে অন্যান্য পর্যায়ের কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি-বেসরকারি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তাদের নিয়মিত দাপ্তরিক সভায় উক্তি/স্লোগানটি উপস্থাপন করবেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- এশিয়ার মধ্যে থাইল্যান্ডে পর্যটন খাত থেকে আয়ের পরিমাণ বেশি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে বিদেশি পর্যটক। এই অঞ্চলে ভারত এবং শ্রীলঙ্কার পর্যটন আয় বেশি, কারণ তাদের পরিকল্পিত চিন্তাভাবনা। ছোট রাষ্ট্র যেমন- হংকং, সিঙ্গাপুর, ম্যাকাও, মালদ্বীপ, ফিজি পর্যটন খাত থেকে প্রচুর আয় করে শুধু বিদেশিদের আনাগোনার জন্য।









