করোনাভাইরাসের কারণে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে এ বছরের পবিত্র হজ নিয়ে। তবে খুব দ্রুতই এই অনিশ্চয়তা কাটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সৌদি আরবে বসবাসকারী একাধিকসূত্রে জানা যায়, সৌদি আরবে করোনা পরিস্থিতি উন্নতির প্রেক্ষিতে মনে হচ্ছে, হজ একেবারে বাতিল হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই। করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় হজের ক্ষেত্রে সৌদি আরব নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নয় এমন দেশগুলোর হজযাত্রীদের হজের অনুমতি না দেওয়া। হজযাত্রীদের অংশগ্রহণের সংখ্যা হ্রাস করা। সৌদি আরবে অবস্থানের দিন কমিয়ে আনা। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জন্য কোটা ১০ থেকে ৫০ শতাংশ কমানো। ৬৫ বছরের বেশি বয়সী, ১২ বছরের কম বয়সী ও অসুস্থদের জন্য হজের ভিসা ইস্যু না করা।
কয়েকজন প্রবাসী জানান, স্পষ্ট কোনো ঘোষণা না দিলেও সৌদি আরব ভেতরে ভেতরে হজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে হজযাত্রীর সংখ্যা কমবে। সৌদিতে অবস্থানের সময়ও কমবে। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এমন দেশের নির্দিষ্ট নাগরিকরাই কেবল হজের অনুমতি পাবেন। আর মক্কা অঞ্চলকে এখনও কারফিউর আওতায় রাখা হয়েছে হজের প্রস্তুতির জন্যই।
আজিজিয়া এলাকায় বসবাসকারী কয়েকজন প্রবাসী জানান, এসব এলাকার হোটেল ও বাসা-বাড়িগুলো হজ মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নতুন করে কোনো বাসা তারা ভাড়া দিচ্ছেন না, অপেক্ষায় হজের।
এ প্রসঙ্গে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা আসন্ন হজের জন্য নিবন্ধনসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি। এ বছর বাংলাদেশসহ বহির্বিশ্বের হজযাত্রীরা হজপালন করতে পারবেন কি না তা নির্ভর করছে করোনা পরিস্থিতির ওপর। সব বিষয় বিবেচনা করে ওই সিদ্ধান্ত নেবে সৌদি সরকার। আশা করছি, এ ব্যাপারে তারা ১৫ জুনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাবে।
তাদের সিদ্ধান্ত পাওয়া মাত্রই বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করবে।
আনন্দবাজার/টি এস পি









