ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে গাজীপুরের শিল্প এলাকায় আইনশৃংখলা ও বেতন-বোনাস সংক্রান্ত বিষয়ে জেলার তৈরি পোশাক শিল্প-মালিকদের সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি এ কে এম আওলাদ হোসেন।
গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২ এর পুলিশ সুপার সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় স্টাইলিশ গার্মেন্টসের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী, স্প্যারো গার্মেন্টসের এমডি শোভন ইসলাম, গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ইলতুৎমিশ, ট্রাফিকের ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কলকারখানা অধিদপ্তরের ডিআইডি আহমেদ বেলাল, গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন কারখানার মালিক ও বিজিএমইএ এর নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
এদিকে মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিজিএমইএ গত ১১ এপ্রিল শ্রম-কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি সভা হয়েছে। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এপ্রিল মাসে ১৫ দিনের বেতন এবং কারখানা ছুটির আগে ঈদ বোনাস প্রদান করা। তবে এক্ষেত্রে কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। এছাড়া বিজিএমইএ থেকে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।
শিল্পাঞ্চল গাজীপুরে এলাকাভিত্তিক পাঁচটি কমিটি রয়েছে। সেগুলো হলো টঙ্গি থেকে বড়বাড়ি, বোর্ডবাজার থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত একটি, চৌরাস্তা থেকে ভালুকা এবং বিকেএসপি পর্যন্ত মনিটরিং করবে। এরমধ্যে এ মনিটরিং টিম কাজ শুরু করে দিয়েছে। যেহেতু সব কারখানার সক্ষমতা কিন্তু এক নয় তাই বর্তমানে ২৭টি কারখানা অসচ্ছল পর্যায় বলে মনে করা হচ্ছে। কারখানাগুলো বিভিন্ন জটিলতার কারণে সঠিক সময়ে বেতন দিতে পারে না। তার পরেও মনে করা হচ্ছে ঈদের আগেই সব কারখানার শ্রমিকরা তাদের মজুরি নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে।









