ভারতের সরকার বর্তমানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশের করা অনুরোধ খতিয়ে দেখছে। এটি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক ও অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানিয়েছেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অনুরোধটি আমরা খতিয়ে দেখছি। বিষয়টি নিয়ে সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালানো হবে।”
রণধীর জয়সওয়াল জানান, তারা বাংলাদেশের সব ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, “পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করার এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানিয়েছেন, উভয় দেশ বর্তমান দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থার মাধ্যমে অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার প্রস্তাবগুলো খতিয়ে দেখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের সেই ইচ্ছা স্পষ্ট করেছেন, যেখানে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি আমেরিকার সঙ্গেও সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চায় ভারত।”
পারস্পরিক স্বার্থসংক্রান্ত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। জয়সওয়াল আশা প্রকাশ করেছেন যে, উভয় পক্ষের বিস্তারিত মতামত ও অবস্থান জানার জন্য শিগগিরই একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন ইস্যু, সীমান্ত পরিস্থিতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ওই বৈঠকে আলোচনার জন্য স্থান পেতে পারে।









