স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা এবং হামজনিত শিশুমৃত্যু শূন্যে নামানোর জন্য বদ্ধপরিকর। রবিবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভার্চুয়ালি হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে হবে যাতে রোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে না পড়ে। প্রাথমিকভাবে সারাদেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং ধাপে ধাপে সব জেলায় সম্প্রসারণ করা হবে। তিনি পূর্বের সরকারের সময় প্রচারণা ও নিয়ন্ত্রণে মনোযোগের অভাবের কথাও উল্লেখ করেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কক্সবাজারের দুটি উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। তবে, গতকাল ২৫ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বর্তমানে সদর হাসপাতালে ভর্তি ৪২ শিশু। রামু উপজেলার রাজিয়া নামের এক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বর্তমানে জেলায় ৭৫ শিশু হাসপাতালে ভর্তি, গত এক সপ্তাহে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ১৩২। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সদর হাসপাতালে ৯৩ শিশু ভর্তি হয়েছে, জেলায় হাম-রুবেলায় আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা ১৮৫।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এখনও কোনো আক্রান্ত নেই। আক্রান্ত এলাকায় জরিপ ও শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ চলছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে এবং শিশুদের চিকিৎসার সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. শহিদুল আলম।









