লেবাননের সীমান্তে যুদ্ধবিরতি থাকলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের বাহিনী এবং লেবাননের সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি নতুন সীমারেখা স্থাপন করা হবে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় থাকবে, তবে তারা যেসব অঞ্চলকে হিজবুল্লাহর ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেগুলোতে অভিযান চালানো চালিয়ে যাবে। প্রয়োজনে বসতবাড়ি ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হতে পারে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, ‘দ্য ইসরায়েল হায়োম’ নামক একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫৬ শতাংশ নাগরিক চান সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করুক। তবে বর্তমানে নির্বাচন হলে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দল কিছু আসন হারাতে পারে, যা নির্দেশ করছে যে এই যুদ্ধবিরতি সবাই স্বাগত জানাচ্ছে না। অন্য কথায়, জনসমর্থনের ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সীমান্তবর্তী উত্তরাঞ্চলের মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, এই সংঘাতের প্রভাব তাদের জীবনযাত্রায় সবচেয়ে বেশি পড়ছে।
একজন জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’ জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধবিরতি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের চাপে এসেছে।









