জরুরি মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং বিদ্যুৎ লাইনের পাশে থাকা গাছের ডালপালা কর্তনের জন্য আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, লাক্কাতুয়রা স্টেডিয়াম ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের আওতাধীন কয়েকটি ফিডারে শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না।
ক্ষতিগ্রস্ত ফিডারগুলো হলো— সিলেটের লাক্কাতুয়রা স্টেডিয়াম ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের আওতাধীন ১১ কেভি ধোপাগঞ্জ ফিডার, ১১ কেভি কাকুয়ারপাড় ফিডার, ১১ কেভি ওসমানী বিমানবন্দর এক্সপ্রেস ।
এসব ফিডারের আওতাধীন যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না:
ওসমানী বিমানবন্দর আবাসিক এলাকা, কাকুয়ারপাড়, সিলেট ক্লাব, ফরিদাবাদ হাউজিং, এডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড, আবাদানি, বড়শালা বাজার সংলগ্ন এলাকা, পর্যটন এলাকা, সিলভার সিটি, কেওয়াছড়া, হিলুয়াছড়া চা-বাগান, ধোপাগঞ্জ, মহালদিক, উমদারপাড়া, আলাইবহর, লিলাপাড়া, দাপনাটিলা, সাহেবের বাজার, কালাগুল, লালবাগ, পীরেরগাঁও, ছালিয়া, রঙ্গটিলা, সালুটিকর ঘাটসহ আশপাশের এলাকা।
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) জানায়, নাটোরের চৌকিরপাড় ফিডার এলাকায় শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ সময় বিদ্যুৎ লাইনের পাশের গাছের ডালপালা অপসারণ করা হবে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্যমতে, নাগেশ্বরী জোনের আওতাধীন লালমনিরহাট থেকে নাগেশ্বরী ও নাখারগঞ্জ সাব-স্টেশনের মূল লাইনে সংস্কার কাজ চলবে। এ কারণে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঝড়-বৃষ্টির মৌসুমে লাইনে গাছের ডালপালা পড়ে দুর্ঘটনা এড়াতে আগাম এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ এলাকায় শনিবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এ সময় ট্রান্সমিশন লাইন, উপকেন্দ্র ও বিতরণ লাইনের জরুরি সংস্কার কাজ করা হবে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হলে আগেভাগে সংযোগ চালু করা হতে পারে। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
একইসঙ্গে সাধারণ গ্রাহক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোকে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ফলে লাইনের ত্রুটি, ভোল্টেজ ড্রপ এবং আকস্মিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঝুঁকি কমবে। ফলে সাময়িক অসুবিধা হলেও দীর্ঘমেয়াদে গ্রাহকরা এর সুফল পাবেন।









