আর্টেমিস ২: চাঁদে পৌঁছাতে কত সময় লাগবে, জানুন পরবর্তী লক্ষ্য
প্রকাশ:

বিস্তারিত
দীর্ঘ ৫৩ বছর পর আবারও চাঁদের কক্ষপথে মানুষ পাঠিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে নাসা। ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো-১৭ মিশনের পর এবারই প্রথম মানুষবাহী যান চাঁদের পথে রওনা হয়েছে।
ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা শক্তিশালী এসএলএস রকেটে চার নভোচারী এখন মহাকাশে অবস্থান করছেন। প্রায় ১০ দিনের এই অভিযানে তারা সরাসরি চাঁদে নামবেন না, বরং চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।
মিশনের প্রথম ধাপে নভোচারীরা পৃথিবীর কক্ষপথে থেকে মহাকাশযানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম পরীক্ষা করবেন। এরপর শুরু হবে চার দিনের চাঁদমুখী যাত্রা। প্রায় ষষ্ঠ দিনে তারা চাঁদের নিকটতম বিন্দুতে পৌঁছে চাঁদের পেছন দিক ঘুরে আবার পৃথিবীর দিকে রওনা হবেন। পুরো যাত্রায় প্রায় ৬ লাখ ৮৫ হাজার মাইল পথ অতিক্রম করা হবে।
এই ঐতিহাসিক অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রিড ওয়াইজম্যান। তার সঙ্গে রয়েছেন ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কচ এবং জেরেমি হ্যানসেন। এদের মধ্যে গ্লোভার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী হিসেবে চাঁদের কক্ষপথে যাচ্ছেন, কচ প্রথম নারী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন এবং হ্যানসেন প্রথম কানাডিয়ান হিসেবে এই অভিযানে যুক্ত হয়েছেন।
নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই মিশনের পরবর্তী ধাপ হবে ‘আর্টেমিস-৩’ যার মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে আবার মানুষকে চাঁদের মাটিতে নামানো হবে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন এবং কক্ষপথে ‘গেটওয়ে’ স্পেস স্টেশন তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদে এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব মিশন পরিচালনার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
সূত্র: আলজাজিরা








