সাধারণত যানবাহন কম চলাচল করে। কলকারখানাও প্রায় বন্ধ থাকে। ঢাকার বায়ুদূষণের দুটি বড় উৎস এগুলো। তারপরও ঢাকার বায়ুদূষণ কমছে না।
আজ শুক্রবারও (২৭ মার্চ) ঢাকার বায়ু অস্বাস্থ্যকর। সকাল নয়টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, ১৫১ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় অষ্টম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকার বায়ুমানের স্কোর ছিল ১৮৭।
এদিকে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই। শহরটির বায়ুমানের স্কোর ১৯৪, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাউথ কোরিয়ার সিউলের স্কোর ১৭২। এই শহরের বায়ুমানের স্কোরটিও অস্বাস্থ্যকর।
ভারতের দিল্লির বাতাসের পরিস্থিতিও প্রায় একই। তৃতীয় অবস্থানে থাকা শহরটির বায়ুমানের স্কোর ১৭০। দূষিত শহরের তালিকায় ১১তম অবস্থানে দেশটির আরেকটি শহর কলকাতার বাতাস কিছুটা ভালো থাকলেও সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর।
১৬৯ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ অবস্থানে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন, ১৬৬ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে সাউথ কোরিয়ার ইনচেওন, ১৬২ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে নেপালের কাঠমান্ডু, ১৫৮ স্কোর নিয়ে সপ্তম অবস্থানে চীনের উহান। এইসব শহরের বায়ুমানের স্কোর অস্বাস্থ্যকর।
আর নবম অবস্থানে থাকা সাউথ কোরিয়ার বুসানের স্কোর ১৩৪, দশম অবস্থানে থাকা উগান্ডার কামপালা শহরের স্কোর ১১৯। এই দুটি শহরের বাতাস ভালো হলেও সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।
২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।








