নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, গত ১৯ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী ভোটারদের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এটি চলবে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া ভোটের কাজে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিবন্ধন কার্যক্রম এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের নিবন্ধন কার্যক্রম চলবে ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, মিশর, মোজাম্বিক, লিবিয়া, মরিশাস, হংকং, ব্রাজিল, উগান্ডা, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, লাইবেরিয়া, বতসোয়ানা, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, তানজানিয়া, সোমালিয়া, ঘানা, গিনি, মরক্কো, দক্ষিণ সুদান, চিলি, সিয়েরা লিওন, ইকুয়েডর, তাইওয়ান, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, গাম্বিয়া, পেরু, জিম্বাবুয়ে, যুক্তরাষ্ট্র ইত্যাদি। সকাল ১০টা পর্যন্ত মোট ৫ লাখ ৭৫ হাজার ২২১ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন, যা প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ইসি জানিয়েছে, নিবন্ধনকারীদের ঠিকানায় ভোটার আইডি অ্যাপের মাধ্যমে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হবে। ভোটাররা ভোট দেওয়ার পর খামে তা ফেরত পাঠাবেন, যা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে যাবে।
এছাড়া সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারিত হয়েছে ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি, এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।









