নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২২’ গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে উদযাপন করেছে।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর ২০২২) দূতাবাস প্রাঙ্গনে শহীদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী কর্তৃক পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কাঠমান্ডুতে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এরপর বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু পুত্র শেখ রাসেলসহ তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদবৃন্দ এবং গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি, মঙ্গল ও উন্নয়নের জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয় ।
এছাড়াও দূতাবাস আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই দিবস উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রেরিত বানী সমূহ পাঠ এবং শহীদ শেখ রাসেল স্মরণে নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তাগণ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে ঘাতকদের হাতে নিহত ছোট্ট শেখ রাসেলকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন যে, শেখ রাসেল আজ বিশ্বে অধিকার বঞ্চিত শিশুদের প্রতীক। বক্তাগণ বলেন যে, ছোট্ট শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে জাতি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতই একজন দূরদর্শী ও আদর্শ নেতা পেতে পারত, যাকে নিয়ে দেশ ও জাতি গর্ব করত।
এ দিবস উপলক্ষে দূতাবাস এ দিন কাঠমান্ডুস্থ একটি মাদ্রাসা-এতিমখানায় দুস্থ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্নত খাবার পরিবেশনের এবং মাদ্রাসায় বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুপুত্র শেখ রাসেল সহ তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদবৃন্দ এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়ার আয়োজন করে।
রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী শহীদ শেখ রাসেলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন যে, বাংলাদেশের শিশুদের শহীদ শেখ রাসেলের জীবন ও তাঁর আত্মত্যাগের বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে উপযুক্ত শিক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে ও তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে হবে যাতে করে নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা এবং আদর্শের আলোকে জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারে।
আনন্দবাজার/কআ









