শিশু শেখ রাসেলের হত্যাকাণ্ডকে ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম একটি শিশু হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম। মেক্সিকো সিটিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ রাসেল জীবিত থাকলে বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরি হয়ে হয়ত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে অবদান রাখতে পারতেন। শেখ রাসেলের জন্মদিনে শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্ব শিশুদের জন্য নিরাপদ হোক এই কামনা করেন আবিদা।

১৮ই অক্টোবর মেস্কিকো শহরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মবার্ষিকী ‘শেখ রাসেল দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদা ও গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস মেক্সিকো শহরস্থ ফ্রান্সিসকো গোইটিয়া পাবলিক এলিমেন্টারি স্কুলের প্রায় ৩৫০ জন শিশুদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায়ে দূতাবাসে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম শহীদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরবর্তীতে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী ও ২২ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ প্রায় ৪০০ জন স্কুলের হলরুম প্রাঙ্গণে সকাল ৯টায় সমবেত হলে, তাদের সকলের উপস্থিতিতে, ফ্রান্সিসকো গোইটিয়া পাবলিক এলমেন্টারি স্কুলের অধ্যক্ষ হেক্টর গার্সিয়া ক্যারেরা তাঁর প্রারম্ভিক বক্তব্যে বাংলাদেশ দূতাবাসকে স্বাগত জানান। এদিন শিক্ষার্থীরা চিয়াপাস, ওহাকা এবং গেররেরো রাজ্যের তিনটি ঐতিহ্যবাহী মেক্সিকান নৃত্য পরিবেশন করে। বিভিন্ন শ্রেণীর পাঁচজন শিক্ষার্থী শেখ রাসেলের জীবন এবং কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তাদের বক্তব্য প্রদান করে।

রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম স্প্যানিশ ভাষায় প্রদানকৃত তার বক্তব্যে শেখ রাসেল এবং দিবসটির তাৎপর্য সম্পর্কে উপস্থিত সকলকে অবহিত করেন। অংশগ্রহণকারী সকল শিশুদের মাঝে বাংলাদেশের ছোট পতাকা বিতরণ করার পাশাপাশি উপস্থিত সকলকে আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্যায়ে সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীর উপস্থিতিতে দূতাবাসে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরিশেষে শেখ রাসেল ও জাতির পিতাসহ তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং দেশ ও জাতির অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।
আনন্দবাজার/কআ








