দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং নাগরিক সেবা সহজলভ্য করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শূন্যপদ পূরণের মাধ্যমে জনভোগান্তি কমাতে ছয় মাস, এক বছর এবং পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
আজ (৩০ এপ্যিল) সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের উত্থাপিত প্রশ্নের লিখিত জবাবে এই তথ্য জানান তিনি।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, প্রশাসনের শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করে সেবা কার্যক্রম সচল রাখা এবং জনগণের ভোগান্তি কমানোই সরকারের মূল লক্ষ্য।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, কর্মপরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন নিয়োগসংক্রান্ত সর্বশেষ অবস্থা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেছেন, শূন্য পদের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোতে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত নিয়োগের জন্য অধিযাচন (রিকুইজিশন) পাঠানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘসূত্রতায় না পড়ে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, নিয়োগপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে শূন্য পদের বিপরীতে দ্রুত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং সময়সীমা নির্ধারণ করে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জোর দিয়ে বলছিলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সময়োপযোগী নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন বেকারত্ব কিছুটা কমবে, অন্যদিকে প্রশাসনের কার্যক্ষমতা বাড়বে এবং সাধারণ জনগণ দ্রুত ও উন্নত সেবা পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।









