পহেলা বৈশাখের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে পান্তা-ইলিশ। কিন্তু সময়ের আবর্তে সেই চিরচেনা দৃশ্যে আমূল পরিবর্তন এসেছে। এ বছর রমনা পার্ক ঘুরে পান্তা-ইলিশের সেই চিরাচরিত উৎসবমুখর আয়োজন আর দেখা যায়নি।
বিগত বছরগুলোতে রমনা পার্কের আনাচে-কানাচে অস্থায়ী দোকানে পান্তা-ইলিশের পসরা সাজিয়ে বসার যে ধুম ছিল, এবার তা পুরোপুরি অনুপস্থিত। এবার পুরো পার্কে ঘুরে কোনো অস্থায়ী দোকান খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পার্কের স্থায়ী রেস্টুরেন্টগুলোতে পান্তা-ইলিশ মিললেও তার দাম সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পার্কের ভেতরে অবস্থিত ‘মি. কুক রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিং’-এ দেখা গেছে এক অদ্ভুত দৃশ্য। সেখানে এক টুকরো ছোট ইলিশ, সামান্য পান্তা ভাত ও এক টুকরো বেগুন ভাজির একটি প্যাকেজ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়।
ওয়ান টাইম প্লেটে পরিবেশন করা এই খাবারের পরিমাণের তুলনায় দামকে অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা।
ভোক্তারা জানান, এ বছর বাইরের খোলা দোকানগুলো পান্তা-ইলিশ বিক্রি করছে না। এই একটি মাত্র দোকানে বিক্রি করলেও দাম নেওয়া হচ্ছে অনেক বেশি। অনেকে ছোট ছেলে-মেয়েদের আবদার রাখতে বাধ্য হয়েই বাড়তি দামেই কিনছেন পান্তা-ইলিশ।
মি. কুক রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাটারিংয়ের কর্মীরা বলেন, আমরা ৫০০ গ্রাম বা তার চেয়ে একটু বড় সাইজের ইলিশ মাছ কিনেছি। ওই ইলিশের এক টুকরো মাছ, এক টুকরো বেগুন ভাজি ও এক প্লেট সমপরিমাণ পান্তা ভাত ওয়ান টাইম বাটিতে রেখে প্যাকেজ সাজিয়েছি। এ বছর মাছের দাম অনেক বেশি হওয়ায় প্যাকেজের দামও একটু বেশি ।









