দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় পর সরাসরি আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন ইসরায়েল ও লেবাননের শীর্ষ নেতারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ৯টা ২৬ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, প্রায় ৩৪ বছর পর দুই দেশের নেতারা প্রথমবারের মতো সরাসরি কথা বলবেন।
ট্রাম্প লেখেন, “ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছি। অনেক দিন—প্রায় ৩৪ বছর—দুই দেশের নেতারা কথা বলেননি। আগামীকাল তা হবে। ভালো লাগছে!”
এই ঘোষণার আগে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটারের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর আয়োজনে এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা, স্টেট ডিপার্টমেন্টের উপদেষ্টা মাইকেল নিডহ্যাম এবং জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ। তবে এ বৈঠকে হিজবুল্লাহর কোনো প্রতিনিধি অংশ নেয়নি।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প জানান, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে লেবাননে হামলা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সে সময় ইসরায়েলের পক্ষ থেকে অভিযান কমানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকলেও, চলতি বছরের ২ মার্চ হিজবুল্লাহর সীমান্ত অতিক্রম করে হামলার পর ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে। লেবাননের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।









