শুক্রবার (আজ) বায়তুল মোকাররম এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, আজানের ধ্বনি শোনার পরপরই মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কেউ এসেছেন বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের সঙ্গে, আবার কেউবা একাই এসেছেন জুমার নামাজ আদায় করতে। দুপুর হওয়ার আগেই মসজিদের ভেতর ও বাইরের অংশ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। জায়গার সংকুলান না হওয়ায় অনেক মুসল্লিকে আশপাশের অন্য মসজিদে চলে যেতে দেখা গেছে।
রমজানের পুণ্যময় এই জুমায় শরিক হতে সকাল থেকেই দলে দলে মসজিদে সমবেত হয়েছেন হাজারো মানুষ। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় নামাজ আদায়ের মাধ্যমে এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখছেন সবাই।
নামাজ পড়তে আসা এক মুসল্লি বললেন, ‘রমজানের শুরু থেকেই আমি প্রতিটি জুমার নামাজ বায়তুল মোকাররমে আদায় করেছি। আজকেও সেই নিয়মের ব্যতিক্রম হয়নি।’আরেক মুসল্লি বললেন, ‘বায়তুল মোকাররমে সবার সঙ্গে জুমার নামাজ আদায়ে একধরনের প্রশান্তি কাজ করে। রমজান মাস অধিক সওয়াবের মাস, তাই মনের তৃপ্তি ও বাড়তি সওয়াবের আশায় এখানেই জুমার নামাজ আদায় করতে এসেছি।’
জাতীয় মসজিদ ছাড়াও সারাদেশের মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের উপস্থিতি ও পরিস্থিতি ছিল একই রকম।
এদিকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের নিরাপত্তার বিষয়েও নেওয়া হয়েছে কঠোর ব্যবস্থা। বরাবরের মতোই মসজিদের প্রবেশপথ ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। মসজিদের প্রতিটি প্রবেশমুখে সন্দেহজনক কিছু দেখলে প্রয়োজনীয় তল্লাশি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।









