নির্বাচিত সরকারের প্রত্যাশা পূরণে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার পর দুদক কার্যালয় ত্যাগ করার সময় আবদুল মোমেন এ কথা বলেন।
সদ্য সাবেক এই দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা কাজ শুরু করি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। ২০২৪ সালে ডিসেম্বর আমরা যোগদান করি। আমরা সাধ্যমত দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। নির্বাচিত সরকার আসার পর ১৪তম দিনে আমরা পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগের বিশেষ কোনো কারণ নেই।
আবদুল মোমেন জানান, আমরা অনুভব করেছি যে এই পরিবর্তনের পর নির্বাচিত যে সরকার; সে সরকারেরও প্রত্যাশা রয়েছে। সরকার তার সেই প্রত্যাশা মিটআপ করার জন্য নিশ্চয়ই আমাদের চেয়ে অধিকতরযোগ্য কমিশন এখানে স্থাপন করবে এবং তাতে দুর্নীতি দমন কমিশন যেমন ভালো হবে রাষ্ট্রেরও আমি বিশ্বাস করি উপকার হবে। এই যে বাড়তি এই নতুন সরকারের সময় যে অংশটুকু কাজ করতে পেরেছি সেজন্য আমরা সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
দুদকের নখদাত নেই বলা হয়েছিল, এখন কী অবস্থা দেখছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বিদায়ী চেয়ারম্যান বলেন, এটা বিচার করার মালিক আপনারা। আপনারা ভালো বুঝতে পারবেন আমাদের এতদিন নখদাত ছিল কী, ছিল না। আপনারা আবার নতুন করে দেখবেন। আমরা যে সময়টুকু ছিলাম যে সময়টুকু আমাদের দায়িত্ব ছিল, আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি।
এমন ম্যাসেজ যাচ্ছে যে রাজনৈতিক সরকার যেভাবে চাইবে সেভাবে দুদক চলবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মোনেম জানান , আমি নিজেই বলেছি, যে সরকার এসছে; সে সরকারের একটা প্রত্যাশা আছে। সরকারের ম্যানিফেস্টো আছে। সরকার সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবে। এটা তো আমি অন্য মানে.. ব্যতয় কিছু দেখছি না। একটা নতুন সরকারের প্রত্যাশা থাকতেই পারে। আমাদেরও তো একটা অনুভূতি থাকতে পারে। আমরা অনুভব করি যে এখন আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য লোকের কাজ করা প্রয়োজন।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আলী আকবর আজিজী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফারিদ।









