অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছে, সেগুলোতে তাকে কোনো দিন ডাকা হয়নি। কারণ, এসব বিষয়ে তার কোনো দায়িত্ব বা দায়িত্বক্ষেত্র (এরিয়া কনসার্ন) ছিল না।
তিনি বলেছিলেন, ইকোনমিক, ব্যাংকিং ও এনবিআর বিষয়ক আলোচনায়ও আমাকে ডাকেননি। এসব বিষয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্য কয়েকজন উপদেষ্টাকে নিয়ে আলোচনা করতেন।
তিনি আরও জানান, লিগ্যাল বা আইন সংক্রান্ত ইস্যুতে তাকে ডাকা হতো, এছাড়া রাজনৈতিক এবং সংস্কার বিষয়ক ইস্যুতেও তার মতামত নেওয়া হতো। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, সরাসরি প্রয়োজন অনুযায়ী যাকে ডাকত স্যার, তাকে ডাকার ব্যবস্থা হতো।
প্রশ্নে তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের সময়ে “কিচেন কেবিনেট” ছিল একটি অভ্যন্তরীণ সমন্বয়কারী কমিটি।
এ বিষয়ে আসিফ নজরুল বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন পরিস্থিতি বিরল নয়, এবং সেই কমিটিতে কেউ না কেউ সব সময় যুক্ত থাকত। যে সদস্যদের প্রয়োজন কম, তাদের হয়তো ডাকতেন না।
তিনি আরও যোগ করেন, লেবার সংক্রান্ত আইন ও সিদ্ধান্তের আলোচনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসই ছিলেন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। ইলেকশন কমিশন যখন নির্বাচন সম্পর্কিত ড্রাফট ‘ল’ নিয়ে আসে, তখন উপদেষ্টারা একত্রিত হয়ে আলোচনা করেছিলেন। সেটি তিনি পর্যবেক্ষণ করতেন এবং আলোচনায় প্রধান ভূমিকা পালন করতেন, বলেন আসিফ নজরুল।









