দুটি সংরক্ষিত নারী আসন এনসিপিকে ছেড়ে দেবে জামায়াতে ইসলামী। ছয় আসন পাওয়া এনসিপির একটি নারী আসন পাওয়ার কথা থাকলেও, জামায়াতের কোটা থেকে দলটির আরেকজন নারী নেত্রী সংসদে যাবেন।
সংসদে প্রতিনিধিত্ব না থাকলেও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টিকে (জাগপা) একটি আসন ছাড়বে জামায়াত। বিরোধী জোটের ১৩ নারী আসনের বাকি ১০টিতে জামায়াত প্রার্থী দেবে।
সম্ভাব্য চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মনিরা শারমিন। তাদের দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে দলটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জোটভিত্তিক বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি ও তাদের মিত্রদের ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটকে ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত হয়েছে।
জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬টি আসনে বিজয়ী হওয়ায় ১টি সংরক্ষিত নারী আসন পাচ্ছে। সেই সাথে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা করে আরও একটি দাবি করেছে তারা।
এনসিপির একাধিক সূত্রমতে, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য দলের পক্ষ থেকে দুইজনকে সম্ভাব্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ডা. মাহমুদা মিতু ও মনিরা শারমিন।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল, যাচাই-বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল।
এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত বলেছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থিতার ব্যাপারে দলের শীর্ষ পর্যায়ে এবং আমাদের জোটের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে, এখনো চূড়ান্ত হয়নি।









