সরকারি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা বাড়ানো ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
সংস্থাটির নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান।
আশিক চৌধুরী বললেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে গত এক মাসে একাধিক আন্তঃমন্ত্রণালয় ও পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেওয়ার সুযোগ হয়েছে। এসব বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের ধরন তাকে আশাবাদী করেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আশিক চৌধুরী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ধৈর্যের সঙ্গে সবার মতামত শোনেন, সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন না এবং ফলভিত্তিক আলোচনা করেন। দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগে জোর দেওয়ার পাশাপাশি সময়ানুবর্তিতা ও সরল আচরণের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেন তিনি।
উপস্থাপিত ১৮০ দিনের পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য সরকারি সংস্থাগুলোতে জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা। বৈশ্বিক অস্থিরতায় প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দেশীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মোট ২৫টি পদক্ষেপ প্রস্তাব করা হয়েছে।
বন্ধ ও রুগ্ণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে পুনরুজ্জীবন, ফ্রি ট্রেড জোন ও প্রতিরক্ষা শিল্প নীতিমালা প্রণয়ন, বিকল্প জ্বালানি উৎস অনুসন্ধান এবং সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালু করে দুর্নীতি কমানো ও পণ্য খালাসের সময় কমানো পরিকল্পনায় উল্লেখযোগ্য মধ্যে রয়েছে।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর জন্য বেসরকারি খাতের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, ব্যবসা-সংক্রান্ত সরকারি সেবা এক প্ল্যাটফর্মে আনতে ‘বাংলাবিজ’ ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করার কথাও পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আশিক চৌধুরী বলেন, ছয় মাস শেষে পরিকল্পনার অগ্রগতি মূল্যায়ন করে একটি ফল প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে, যেখানে সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হবে।









