কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক দুটি অভিযান চলাকালীন প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকার ৩ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় পাঁচজন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন: টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. সুলতানের ছেলে মো. ইয়াসিন (৩৫), বাহারছড়া হাজমপাড়া মকবুল আহমেদের ছেলে মো. ইসমাইল (২২), লাল মোহাম্মদের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৩২) ও জসিম উদ্দিন (৩৩) এবং কুমিল্লা মৌলভীবাড়ি পাশা কোট এলাকার সাহাদাত হোসেন (সাকিব)।
প্রথম অভিযানে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া লবণের গোণা থেকে একটি কাভার্ডভ্যানযোগে ইয়াবার বড় চালান চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাবে। তাই শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশন ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে পাটাতনের নিচে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বারের মধ্যে লুকানো অবস্থায় প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা (মূল্য ১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা) জব্দ করা হয় এবং একজন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।
দ্বিতীয় অভিযানে, মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবার চালান নাফ নদী হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে এ তথ্যের ভিত্তিতে রাডার নজরদারি ও বিশেষ টহল বৃদ্ধি করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে শাহপরীর দ্বীপ গোলারচরসংলগ্ন সমুদ্র এলাকা থেকে একটি সন্দেহজনক ফিশিং বোট আটক করা হয়। তল্লাশিতে পাওয়া যায় ৬০ হাজার পিস ইয়াবা, যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা, এবং চারজন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।
জব্দকৃত ইয়াবা, কাভার্ডভ্যান ও বোটের পাশাপাশি আটক মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।









