ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতের ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে ভোট গণনা, রেজাল্ট শিট তৈরি করা ও ফলাফল ঘোষণা প্রতিটি পর্বে পর্বে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বায়তুল মোকাররম মসজিদ প্রাঙ্গণে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্যের প্রতিবাদে তিনি এমন অভিযোগ করেন।
এসময় জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, আমাদের ব্যাখ্যা যদি ভুল হয় তাহলে আপনারা সঠিক ব্যাখ্যা দিন। পার্লামেন্টে জামায়াতে ইসলামী ছাড়া বিরোধী কারা আছে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, রিজওয়ানা চৌধুরী অপরাধ করে না থাকেন তাহলে তিনি তার এই বক্তব্যের ভুল স্বীকার করতে পারেন। যতক্ষণ তা না বলবেন ততক্ষণ দেশবাসীর বিশ্বাস করার যৌক্তিক কারণ আছে যে আপনি জামায়াতে ইসলামীকে বিরোধী দল থেকে সরকার দলে আসার পথে বাধা দিয়েছেন।
জামায়াতেই ইসলামী সরকার গঠনের সম্ভাবনা উল্লেখ করে সেক্রেটারি জানান, জনগণ মনে করেছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জিতবে। ১৬৮-১৭০ এর ওপরে আসন পাবে জামায়াতে ইসলামী। আপনার প্ল্যান করে সেটা ১০০ এর কমে থামিয়ে দিয়েছেন।
ভোট গ্রহণ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেন জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেল। তার প্রশ্ন, রাত ১০টার পর কেন সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছেন কেন? ভোট গণনায় ম্যাকানিজম করা হয়েছে।
জামায়াতের এই নেতা আরও বলেন, ১০০, ২০০ বান্ডেল করা হয়েছে। দাঁড়িপাল্লার বান্ডেলের উপরে ধানের শীষ দিয়ে সেটা ধানের শীষের হিসেবে গণনা করেছে। রেজাল্ট শিট টেম্পারিং করা হয়েছে। কাঁটাছেঁড়া করা হয়েছে। বহু প্রিসাইডিং অফিসার গণনা করার আগেই স্বাক্ষর নিয়ে রেখেছে।
মিয়া গোলোম পরওয়ার আরও অভিযেগ করেন, নির্বাচনে ভোট গণনা, রেজাল্ট শিট তৈরি করা ও ফলাফল ঘোষণা প্রতিটি পর্বে পর্বে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। অতীতের নির্বাচনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তুলনায় এবারের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ধরণই ছিলো আলাদা।









