যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, যা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সম্ভব হয়েছে। এই বিরতি ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ দিনের হামলার ঢেউ থামিয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যকে বড় যুদ্ধে প্রবেশের হাত থেকে রক্ষা করেছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেছেন, উভয় পক্ষই প্রজ্ঞা ও বোধের পরিচয় দিয়েছে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে গঠনমূলকভাবে যুক্ত হয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, এই দুই সপ্তাহে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হবে, যা বিশ্ব তেল ও গ্যাস বাজারে অস্থিরতা কমাবে। ইসরাইলও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
তবে দুই পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি এখনও দূরদূরান্তের ব্যাপার। ইসলামাবাদে শুরু হতে যাওয়া আলোচনায় বোঝা যাবে, এই যুদ্ধবিরতি স্থায়ী চুক্তিতে রূপ নেবে কি না।
যুক্তরাষ্ট্র কী কী বিষয়ে রাজি
যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে সামরিক হামলা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটনের সব সামরিক লক্ষ্য পূরণ হয়েছে এবং ইরান হরমুজ প্রণালির সম্পূর্ণ, অবিলম্বে ও নিরাপদ খোলার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে।
এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এক দেশ থেকে অন্য দেশে আমদানি-রপ্তানি করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের জবাবে তেহরান কার্যত এটি বন্ধ করে দিয়েছিল। ট্রাম্প আরও বলেছেন, ইরানের কাছ থেকে ১০ দফা একটি প্রস্তাব এসেছে, যা তার ভাষায় আলোচনার জন্য কার্যকর ভিত্তি।
তিনি ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, গত দিনের বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়ে প্রায় সবগুলোরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে, তবে দুই সপ্তাহের সময়ে চুক্তি চূড়ান্ত ও কার্যকর করা যাবে।









