জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে এবং শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিতে পাস হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ-২০২৬’।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। পরে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি কণ্ঠভোটে উপস্থাপন করলে সব সংসদ সদস্য ‘হ্যাঁ’ বলে সমর্থন জানান।
স্পিকারের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে পুরো সংসদ কক্ষ করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে এবং টেবিল চাপড়িয়ে এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানান। অনেকে মাইক ছাড়াই বিলটিকে ‘বিপ্লবের আইনি স্বীকৃতি’ হিসেবে অভিহিত করেন।
সরকারি দল বিরোধী দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানায় এই আইন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত মর্ম, আদর্শ ও ইতিহাসকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠার এক নতুন মাইলফলক।
২০২৫ সালের ১৭ জুন মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যে অধ্যাদেশ জারি করেছিল, সংসদে বিলটি পাস হওয়ার মাধ্যমে তা স্থায়ী আইনে পরিণত হলো।
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল–২০২৬ পাস
একই দিনে জাতীয় সংসদে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বিলটি উপস্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
বিরোধী দলের সদস্যরা আপত্তি তুললেও বিধিসম্মত না হওয়ায় স্পিকার তা গ্রহণ করেননি।
এই বিলের লক্ষ্য জুলাই আন্দোলনের নিদর্শন, ইতিহাস, গবেষণা উপাদান সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য একটি আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা।









