জেনারেটরের শব্দে পাঠদান ব্যাহত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে উপজেলার শ্যামগ্রাম দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্নে গ্রামীণফোন কোম্পানির উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জেনারেটরের বিকট শব্দে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, স্কুলের ক্লাসরুম সংলগ্নে জেনারেটরের বিকট শব্দে ক্লাসরুমে কিছুই শোনা যায় না।
জানা যায়, ২০০৬ সালে গ্রামীণফোন কোম্পানি স্কুল সংলগ্ন আবাসিক এলাকায় একটি জায়গা ক্রয় করে টাওয়ারটি স্থাপন করেন। টাওয়ার স্থাপনের ফলে প্রাথমিকভাবে এলাকাবাসির নেটওয়ার্কের সাময়িক সুবিধা হলেও এই টাওয়ার এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি এখানে একটি কওমি মাদ্রাসা ও জামে মসজিদ রয়েছে।
টাওয়ারের জেনারেটরের বিকট শব্দে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিকার চেয়ে স্থানীয় এক সংবাদকর্মী বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়। নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসাইন এর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের সাথে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানান। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আছিয়া বেগম জানান, টাওয়ারের জেনারেটরের শব্দে পাঠদান চরম ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এর বিকট শব্দের কারণে ক্লাসে অমনোযোগী ও প্রায় সময় অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
মাদ্রাসার জামে মসজিদের ইমাম ক্বারি জহিরুল ইসলাম বলেন, এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে তাই দ্রুত সমাধানের জন্য তিনি অনুরোধ জানান।
স্থানীয় মো. সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক বলেন, টাওয়ারের জেনারেটরটি দ্রুত সরানোর জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ করছি। এ ব্যাপারে গ্রামীণফোন কোম্পানির প্রতিনিধি কামরুজ্জামান বলেন, এসিল্যান্ড মহোদয় জেনারেটরের সমস্যা সংক্রান্ত একটি তথ্য আমাদের জানিয়েছেন। আমরা এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।









