দেশে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে ঈদের পর শুর হতে পারে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরীক্ষা সময়সীমা কমিয়ে আনা হবে। শিক্ষার্থীদের সেশনজটে না ফেলতে বোর্ড চেয়ারম্যানদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দেশের পরিস্থিতি বুঝে ঈদের পর পরীক্ষা শুরুর দিন ঠিক করে রুটিন প্রস্তুত করবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয় সাব-কমিটি। তবে নতুন করে ছুটি বাড়লেও সম্ভাব্য সময় নির্ণয় করে নতুন রুটিন তৈরি করা হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব মো. মাহবুব হোসেন জানান , ‘করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু করা হবে। পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য পরীক্ষা শুরুর ১৫ দিন আগে রুটিন প্রকাশ করা হবে।’
এদিকে, ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে ৪ মে পর্যন্ত চলার কথা ছিল এবং ৫ মে থেকে ১৩ মে পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে ১৮ মের মধ্যে সেসব উত্তরপত্র, স্বাক্ষরলিপি ও অন্যান্য কাগজপত্র রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে স্ব স্ব শিক্ষাবোর্ডে পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয়। কিন্তু নতুন রুটিনে এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করা হবে বলেও জানা যায়।
জানা গেছে, মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সচিব মো. মাহবুব হোসেন দেশের সকল শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভা করেন। সেখানে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু করার বিষয়ে আলোচনা হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক জানান, ‘করোনা পরিস্থিতির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের সময়সীমা কমিয়ে আনা হবে। দেড় মাসের বদলে এটি এক মাসের মধ্যে শেষ করা হতে পারে।’
আনন্দবাজার/শহক








