এসএসসির ফলাফলে উপজেলা শীর্ষস্থান অর্জন করেছে খুবজীপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। তাই আনন্দ-উল্লাসে মেতেছে শিক্ষার্থীরা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করে সরকারি কর্মকর্তা, দেশের সুনামধন্য বিশ^বিদ্যালয় থেকে শুরু করে সচিব, আমলা, ডাক্তার, বিচারপতি, শিক্ষা ও প্রশাসন ক্যাডারে সুনামের সঙ্গে দেশ মাতৃকার সেবা করে যাচ্ছেন অনেক শিক্ষার্থী।
চলতি বছরও এসএসসির ফলাফলে উপজেলার শীর্ষস্থান অর্জন করেছে বিদ্যালয়টি। সেই সঙ্গে উপজেলায় সেরাও হয়েছেন মৌমিতা তাবাসসুম, মো. হুসাইন, মাইশা ফারজানা মিথিসহ তিন শিক্ষার্থী। আনন্দ-উল্লাসের কমতি ছিলোনা ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-শিক্ষক, কর্মচারিসহ এলাকাবাসির মধ্যে।
উপজেলায় সেরা ১২৬১ নম্বর পাওয়া মৌমিতা তাবাসসুম জানান, এ প্রতিষ্ঠান থেকে সফল হওয়া কৃতি মানুষগুলোর কথা জেনেই মনের মধ্যে সুপ্ত বাসনা ছিল প্রথম হওয়ার। সেই থেকে সব শিক্ষকদের পরামর্শ ও নানা পরিকল্পনা করি। আমরা কি মফস্বল থেকে দেশের নামি-দামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মতো ফলাফল করতে পারব না? শিক্ষকরা জানালেন ইচ্ছা থাকলে ভালো ফলাফল করা সম্ভব। তার পর আর পিছু ফিরে তাকাইনি। তাই উপজেলা সেরা হতে পেরেছি। বাবা আব্দুর রাজ্জাক ব্যবসায়ী মা মরিয়ম গৃহিনি হলেও আমাকে সর্বদাই সহযোগিতা করে আসছে। আমার স্বপ্ন ভবিষ্যতে একজন সুনামধন্য প্রকৌশলী হওয়ার।
উপজেলার দ্বিতীয় সেরা হওয়া আবু বক্কারের ইচ্ছাও প্রকৌশলী হাবার। সে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১২৫৭ নম্বর পেয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন। উপজেলার তৃতীয় স্থান অর্জনকারী মাইশা ফারজানা মিথি ১২৫৪ নম্বর পেয়ে জিপিএ ৫ পেয়েছেন। তার ইচ্ছা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হওয়া।
ভালো ফলাফলে যিনি রাতদিন কাজ করেছেন শিক্ষক অবিভাবকদের নিয়ে নিজের উচ্ছ্াসের কথা জানালেন, খুবজীপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান। তিনি জানান, এসএসসিতে জিপিএ ৫ সহ গড় পাশের হারে উপজেলার সেরা হয়েছে এ প্রতিষ্ঠানটি। চলনবিল এলাকার এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বরাবরই ভালো ফলাফল করে আসছে। তবে চলতি বছর তিনজন উপজেলা সেরা হওয়ায় সবার নজরে এসেছে প্রতিষ্ঠানটির দিকে। জানা যায়, ২০২২ সালের ফলাফলে উপজেলায় খুবজীপুর বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয় ৯৩.৯৮ পেয়ে প্রথম, গুরুদাসপুর সরকারী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যায় ১১৬ জন সর্বচ জিপিএ ৫সহ ৯১.৮৮ পেয়ে দ্বিতীয় এবং ৩য় বেগম রোকেয়া স্কুল এন্ড কলেজ।









