জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর বিষয়ে কয়েকদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থেকে শুরু করে বেশকিছু গণমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সশরীরে নাকি অনলাইনে ক্লাস হবে, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
গত রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদের সভায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এরইমধ্যে গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়’বিষয়ক সেমিনারে সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টরা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের মতামত দিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদের সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদা নির্দেশনা দেবে। কারণ, এ বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে আলোচনার দরকার আছে।
পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় রবিবার থেকে স্কুল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সংক্রান্ত আলাদা নির্দেশনা দেওয়া শুরু করবে। তবে শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, তা বিবেচনায় রাখা হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, সপ্তাহে মোট ছয় দিনের মধ্যে তিন দিন অনলাইনে এবং তিন দিন সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় এক দিন পরপর অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস চলবে।
তবে অনলাইন ক্লাসের সময়ও শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে পাঠদান করতে হবে। বিশেষ করে ব্যবহারিক ক্লাসগুলো সশরীরেই সম্পন্ন করার কথা ভাবা হচ্ছে।
উল্লেখ, রাজধানীর কিছু নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয়ে (হাইব্রিড) পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক এবং গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।









