লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের উপজেলা পরিষদের উত্তর পাশে ফজরিয়া সড়কের পশ্চিম অংশে পুকুরে পাড় ভেঙে পড়েছে। চোখে দেখলে পুকুর বা জলাশয় মনে হলেও এটি একটি সড়ক। এ সড়ক দিয়ে জেলা সদর ও দেশের সবখানে কয়েক গ্রাম ও হাজার পরিবার যাতায়াত করে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, রিকশাওয়ালা, কৃষক ও দিনমজুর মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ এ জলাশয়ে আটকা সড়ক। সড়কটি বর্ষা হলেই পানিতে ডুবে মরণফাঁদে পরিণত হয়। আশেপাশে বাড়ি-ঘর ও ঘন বসতি থাকায় ছোট ছোট শিশু বা সাঁতার না জানা বাচ্চারা মরণের ফাঁদে পড়ছে। মাত্র এক থেকে দেড়শ মিটার পানিতে সড়কটি আটকা পড়েছে। যদিও সড়কে বাকি অংশ কাঁচা।
প্রতিনিয়ত হাজারো মানুষ যাতায়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। হঠাৎ কেউ রাতে আধাঁরে যাতায়াত করতে গেলে পানিতে পড়তে হচ্ছে। পুকুরের পাড় ভেঙে যাওয়ার পর ইটের গাঁথুনি দেয়া হয়েছে। তবে সড়কটি মাটি ভরাট করে মেরামত করা হয়নি। এভাবে পানি বন্দীতে পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন। মেরামতের কোন দৃশ্য চোখে পড়ছে না।
স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন সড়কের একটি অংশে পুকুরের পাড় ভেঙে পানিবন্দি রয়েছে। পুকুরে পানি বাড়লে সড়কটি ডুবে জলাশয়ে পরিণত হচ্ছে। রিকশা, সিএনজি, অটোরিকশা এমনকি পায়ে হেটেঁও যাতায়াত করা যায় না। সড়ক ভেঙে পুকুরের মত গর্তে পরিণত হয়েছে। মেরামত না করায় জনগণ ভোগান্তি পোহাচ্ছে।
স্থানীয় লাকি ও মিজান জানান, বাড়ির পাশে সড়কটি হওয়ায় জলাশয় সৃষ্টিতে শিশুরা ঝুঁকিতে থাকে। ছোট শিশু বা সাতাঁর না জানা বাচ্চাগুলো চোখের অগোচরে পানিতে পড়ে মরে যায়। এখন এটি এলাকার জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
স্থানীয় গ্রাম পুলিশের সভাপতি মুহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন বলেন, সড়কটি জেলা সদর, রাজধানী ঢাকা, আশেপাশে সবগুলো স্থানীয় হাট বাজার, পশ্চিমে চর ফলকনের কিছু গ্রামের লোকজনও খুব সহজে যাতায়াত করতে পারে। কৃষি কাজে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। কৃষক কৃষিপণ্য বাজারে বিক্রি করতে অতিরিক্ত ভাড়া দিচ্ছে। যার কারণে কৃষক লাভবান হচ্ছে না। সড়কটি মেরামতে জনগন উপকৃত হবে।
স্থানীয় হাজির হাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন বলেন, পুকুর পাড়ে ইটের গাইড দিয়ে ওয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। মাটি ভরাট করতে এডিপি'র বরাদ্দের জন্য ফাইল পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও পুরো সড়কটি পাকাকরণে তদারকি হচ্ছে।









