- ৫ মাসে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৪৪.৯৫ শতাংশ
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিখাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজার সুখবর দিচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পোশাক আমদানি ৪৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেড়েছে। যা অর্থের হিসেবে ৯ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ইউরোপীয় পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাটের সর্বশেষ পোশাক আমদানি পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এ তথ্য।
ইউরোস্ট্যাটের মতে, এই সময়ের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈশ্বিক পোশাক আমদানি ২৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে চীন থেকে ইইউ-এর পোশাক আমদানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেড়ে ১০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী অন্যান্য দেশগুলো হলো কম্বোডিয়া (৩২ দশমিক ৬৮ শতাংশ), পাকিস্তান (২৯ দশমিক ২৮ শতাংশ), ইন্দোনেশিয়া (২৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ), ভিয়েতনাম (২২ দশমিক ৩৪ শতাংশ) এবং মরক্কো (২০ দশমিক ০৫ শতাংশ)।
একই সময়ে চীন থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানি বছরে ২০ দশমিক ৬৭ শতাংশ বাড়ে। তাতে আমদানির পরিমাণ ১০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। অন্য দেশগুলোর মধ্যে কম্বোডিয়ার পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩২ দশমিক ৬৮ শতাংশ, পাকিস্তানের ২৯ দশমিক ২৮ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার ২৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ, ভিয়েতনামের ২২ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং মরক্কোর ২০ দশমিক ৫ শতাংশ পণ্য রফতানি হয়েছে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) তথ্য প্রকাশ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানি বেড়েছে ১৮৮ কোটি ৭৯ লাখ ৮ হাজার ডলার। শতাংশের হিসাবে যা ৬০ দশমিক ৩০ শতাংশ।
তথ্য বলছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৫০১ কোটি ৯০ লাখ ৭ হাজার ডলারের। ২০২১ সালের একই সময়ে পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ৩১৩ কোটি ১০ লাখ ৯ হাজার ডলারের।
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-র পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, আমদানি পরিসংখ্যান থেকে এখন পর্যন্ত ইইউ বাজারে বাংলাদেশের পোশাক ভালো অবস্থানে থাকার ইঙ্গিতই মিলে। কিন্তু সম্প্রতি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে খুচরা বিক্রেতারা বিশ্ববাজারের ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে।
মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ইউরোপীয় অনেক ব্র্যান্ডের খুচরা বিক্রি কমায় তাদের ইনভেন্টরি স্টক বেড়েছে। এসমস্ত কারণ বিবেচনায় আগামী মাসগুলোতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে আমাদের রপ্তানি হ্রাস পেতে পারে'।
আনন্দবাজার/শহক









