আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২০.৯৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে চলতি সপ্তাহজুড়ে এখন পর্যন্ত সোনার দাম প্রায় ০.৫ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, আগামী এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ১.৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৩৭.৬০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক ডিলার গোল্ডসিলভার সেন্ট্রাল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রায়ান ল্যান জানান, বিনিয়োগকারীরা এখনও সোনাকে বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করছেন এবং দাম কমলে কেনার সুযোগ খুঁজছেন। তিনি আরও যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনা মজুত করা অব্যাহত রাখবে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে সতর্ক করার পর তেহরানও পাল্টা হুমকির দেওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
গোল্ডম্যান স্যাকস এক নোটে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সোনার দামের অস্থিরতার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা কেনা কিছুটা ধীর হলেও তা সাময়িক। দীর্ঘমেয়াদে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকবে বলেই ধারণা করছে এই ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানটি। তবে ফেডারেল রিজার্ভের নীতিনির্ধারকরা যদি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়ানোর পথে হাঁটেন, তবে সোনা বা বুলিয়নের মতো সুদবিহীন সম্পদের চাহিদা কিছুটা কমতে পারে।
ভারতসহ এশিয়ার অন্যান্য বাজারে সোনার চাহিদা বর্তমানে কিছুটা স্তিমিত। লুনার নিউ ইয়ারের ছুটির কারণে চীনসহ প্রধান এশীয় কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকা এবং ভারতে অস্থির দামের কারণে ক্রেতারা পিছিয়ে আছেন। অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট সিলভারের দাম ০.৬ শতাংশ বেড়ে আউন্স প্রতি ৭৮.৮৩ ডলারে এবং প্লাটিনাম ০.৮ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ৮৫.৬৪ ডলারে পৌঁছেছে।









