বেশ কয়েকটি বড় বাণিজ্য অংশীদারের বিরুদ্ধে উৎপাদন খাতে অতিরিক্ত সক্ষমতা ও অতিরিক্ত উৎপাদনের অভিযোগে বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, চীনসহ আরও কয়েকটি দেশ রয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বাণিজ্য আলোচনাকারী সংস্থা ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ-ইউএসটিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাতিল করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলছিলেন, সেকশন ৩০১ এর অধীনে অন্যায্য বাণিজ্যচর্চা নিয়ে যে তদন্ত শুরু হয়েছে, তার ভিত্তিতে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকোর মতো দেশের ওপর এই গ্রীষ্মের মধ্যেই নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
‘যুক্তরাষ্ট্র আর এমন পরিস্থিতি মেনে নেবে না যেখানে অন্য দেশগুলো তাদের অতিরিক্ত উৎপাদনের সমস্যাকে রপ্তানির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চাপিয়ে দেয়। এতে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দেশটির উৎপাদন খাতে বিনিয়োগ ও সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে’, বলে উল্লেখ করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রতিনিধি যোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতার একটি বড় অংশ হারিয়েছে বা বিদেশি প্রতিযোগীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে। এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খল আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা এবং উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ধারা ৩০১ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর প্রভাব ফেলে এমন অন্যায্য বিদেশি বাণিজ্য চর্চার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে। এই আইনের আওতায় বিদেশি সরকারের এমন নীতি বা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তদন্ত করা যায়, যা অযৌক্তিক বা বৈষম্যমূলক এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যের ওপর বোঝা সৃষ্টি করে।









