বড় পতনের এক দিন পরেই কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা গেছে দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। বুধবার দিনের শুরুতে নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন শুরু হলেও দিনের বড় একটি সময় সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে দিনশেষে লেনদেন শেষ হয়েছে সূচকের পতনে।
লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে মাত্র ২২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১১২টির। আর ৫৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশের শেয়ারবাজারে সপ্তাহ জুড়েই নেতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর মত তেমন উল্লেখযোগ্য কোন খবর বাজারে ছিল না। তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে আজকের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল ছিল। দিনভর ওঠানামা থাকলেও দিন শেষ হয়েছে সূচকের সামান্য পতনে।
এদিকে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি ডিভিডেন্ড দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১০৭টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৫৯টির দাম কমেছে এবং ৪০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৪৪টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ২৫টির দাম কমেছে এবং ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১০টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৪টির এবং ২০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ১০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৪টির দাম কমেছে এবং ২০টির দাম অপরিবর্তিত আছে।
অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দামে মিশ্র ভাব থাকায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৫ পয়েন্টে নেমে গেছে।









