প্রান্তিক পর্যায়ে ভূমিহীন, দিনমজুর, অসহায় ও নারী শিক্ষায় অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ অরফ্যান্স সেন্টার স্কুল। বিভিন্ন ব্যক্তি ও দানশীল ব্যক্তির আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার হাসানগনিপুর গ্রামে অবস্থিত।
২০০২ সালে হাসানগনিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ নূর (আমেরিকা প্রবাসি) ও তার পরিবারবর্গের সাহায্যে স্কুলটি নির্মিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ অঞ্চলের জনগনের শিশু, এতিম ও দুস্থ:দের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের ২ একর ৩০ শতাংশ জায়গার মধ্যে রয়েছে একাডেমিক ভবন, আবাসিক হোটেল, আরবি পড়াশোনার আলাদাভাবে মাদ্রাসা, খেলার মাঠ, শান বাঁধানো ঘাটসহ পুকুর, বাগান, আঙ্গিনায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় বিমোহিত ফুলের বাগান, কারুকার্য নির্মিত মাটিতে তৈরি বাংলাদেশের মানচিত্র, শহীদ মিনারসহ সকল প্রকার শিক্ষার উপকরণ বিদ্যমান রয়েছে।
গত ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে জেএসসি পরিক্ষার্থীদের পাশের হার ৮২ শতাংশ, ২০১৯ এ ৯১ শতাংশ, ২০২০ এ ১০০ শতাংশ এবং ২০২১ এ শতকরা একশভাগ। পাবলিক পরিক্ষার ফলাফল ও সন্তোষজনক। গত ২০২১ পর্যন্ত শিক্ষার্থী ছিলো ২৩২ জন বর্তমানে তা আরও বৃদ্ধি পাবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম মিন্টু বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় স্কুলটি এমপিওভুক্ত করা হোক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অরফ্যান্স সেন্টার স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, স্কুলের অবকাঠামোগত পরিবেশ, জায়গা নির্ধারণ ও সরকারি সমস্ত নীতিমালা অনুসরণ করে পরিচালিত হচ্ছে বেসরকারি এ শিক্ষাপীঠ। এমপিওভুক্তির যতগুলো শর্ত প্রযোজ্য তা সবগুলোই বিদ্যমান রয়েছে। আগামী প্রজন্মের উন্নত ও আধুনিক শিক্ষাদান করার নিমিত্তে এমপিওভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসি।
পাশাপাশি ফেনী-৩ আসনের সাংসদ লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী মহোদয়ের নিকট ডিও লেটার প্রদান করা হয়েছে বলে জানান তিনি।









