দিবসটি উপলক্ষে শনিবার(৭ মার্চ) সকালে প্রশাসন ভবনের সমনে থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশীদ আসকারীর নেতৃত্বে একটি র্যালী বের হয়। র্যালীটি মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব চত্বরে এসে মিলিত হয়। অতঃপর মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশীদ আসকারী। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এস এম আব্দুল লতিফ।
শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন শেষে অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এসময় অধ্যাপক ড. হারুন উর রশীদ আসকারী তার বক্তব্য বলেন, স্বাধীন এবং সার্বভৌম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবনের সকল দিক এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পেছনে তার নানা মাত্রিক গুরুত্ব আমরা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্থায়ী এবং টেকসই ভাবে তুলে ধরতে চাই।
সাড়ে সাত কোটি মানুষের ২৩ বছরের গোঁড়ামির শাসনের বিরুদ্ধে যে উপলব্ধিতে পৌঁছেছিল সেটি একজনের মুখ থেকে বেরিয়ে এসেছে সেদিন রেসকোর্স ময়দানে ৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে। বলা যেতে পারে, ৭ ই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির একটি অলিখিত ম্যাগনাকার্টা। ম্যাগনাকার্টা যেমন ব্রিটিশ জাতিকে দিক-নির্দেশনা দিয়েছিল, সেরকম এভাষণ বাঙালি জাতিকে কেবলমাত্র কিভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধ হবে শুধু তাই নয়, সাড়ে সাত কোটি বাঙালির সারা পৃথিবীর ইতিহাসের গতিধারা পরিবর্তন, বাঙালি জাতির জন্য একটি আলাদা স্বতন্ত্র রাষ্ট্র, আত্মপ্রতিষ্ঠা লাভ, সমবেতভাবে সংগ্রাম করা, বিজয় অর্জন করা এবং কিভাবে পরবর্তীতে উন্নত ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের বিনির্মাণ করা যাবে এসবের সকল রূপরেখা ছিল ১৯ মিনিটের ১১০৭ টি শ শব্দ সম্মিলিত এমহান ভাষণে সবকিছু লুকায়িত আছে। এ ভাষণের মর্মার্থ এটি হৃদয়ে মনে মননে ধারণ করলে বাঙালি জাতি কখনই পথভ্রষ্ট হবে না এবং দুঃখ-দুর্দশায় নিমজ্জিত হবে না।
আনন্দবাজার/শাহী








