শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে জাতি একজন দূরদর্শী নেতা পেত। স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি তাকে নৃশংস ও বর্বরোচিতভাবে হত্যা করেছে। পর্তুগালের লিসবনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ১৮ অক্টোবর “শেখ রাসেল দিবস” অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও পর্তুগাল প্রবাসী বাংলাদেশী নেতৃবৃন্দ শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
পরবর্তীতে দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে শহিদ শেখ রাসেল-এর জীবনের উপর এক আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
তারিক আহসান বলেন, শুরুতেই শেখ রাসেলের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রিয় শান্তিবাদী, প্রগতিশীল দার্শনিক ও নোবেল বিজয়ী লেখক বার্ট্রান্ড রাসেলের নামানুসারে পরিবারের সবচেয়ে আদরের কনিষ্ঠ সন্তানের নাম রাখেছিলেন 'রাসেল'। বঙ্গবন্ধু বেশিরভাগ সময়ই পাকিস্তানি শাসকচক্র কর্তৃক কারাবন্দী থাকতেন বলে শেখ রাসেল তার শৈশবের অধিকাংশ সময় পিতার সান্নিধ্য হতে বঞ্চিত হয়েছেন।
রাষ্ট্রদূত গভীর দুঃখের সাথে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে পরিবারের অনান্য সদস্যদের সাথে শেখ রাসেলের শহিদ হবার কথা স্মরণ করে বলেন, ১০ বছর বয়সী একটি বালককে হত্যা করতে যাদের হাত কাপলো না তাতেই বোঝা যায় স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল সেই খুনি চক্রটি কতটা নির্মম ও বর্বর ছিল। সেই একই প্রতিক্রিয়াশীল চক্র এখনো দেশবিরোধী নানাবিধ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাচ্ছে বলে রাষ্ট্রদূত সকলকে সতর্ক করেন এবং সবাইকে একসাথে তাদের প্রতিরোধের আহ্বান জানান।
তিনি কামনা করেন, শেখ রাসেলের মত নিষ্পাপ আর সৎসাহসী মানুষ হিসেবে আজকের শিশুরা গড়ে উঠবে।
আনন্দবাজার/কআ









