করোনায় চাকরি হারা
- দেশে কাজ মিলছে না
- ঋণ সহায়তা পেতেও জটিলতা
- বিদেশে ফিরে যেতেও পড়েছেন বিপাকে
মহামারি করোনার ধাক্কা লেগেছে প্রায় প্রতিটি দেশের অর্থনীতিতে। সীমিত হয়েছে কর্মের ক্ষেত্র। বাধ্য হয়েই কর্মী ছাঁটাই করতে হচ্ছে কোম্পানিগুলোকে।যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের ওপরেও। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৯টি দেশ থেকে চার লাখ আট হাজার ৪০৮ কর্মী দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে তিন লাখ ৫৮ হাজার ৪৮৪ জন পুরুষ এবং ৫০ হাজার নারীকর্মী।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের তথ্যানুযায়ী, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় পাঁচ লাখ কর্মী দেশে ফেরত এসেছেন। কোভিডের পর এখন পর্যন্ত তিন লাখের অধিক কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে।
ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান কর্মকর্তা শরিফুল হাসান জানান, কোভিডের কারণে আমাদের প্রায় পাঁচ লাখের মতো কর্মীকে দেশে ফেরত আসতে হয়েছে। তবে এ সময়ের মধ্যে অর্থাৎ কোভিডের পর তিন লাখের মতো কর্মী বিদেশে গেছেন। বাকি প্রায় দুই লাখ কর্মী রয়েছেন চরম দুশ্চিন্তায়।
সরকার দেশে ফেরত প্রবাসীদের কর্মসংস্থানের জন্য ঋণসহ নানা সহায়তা ঘোষণা করলেও তেমন সাড়া মিলছে না। অনেকেই আবারো বিদেশে যেতে উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে বেশিরভাগই পুঁজি খুইয়ে অনেকটা নিঃস্ব হয়েছেন। যে কারণে বিদেশে ফেরার মতো তেমন সক্ষমতাও হারিয়েছেন অনেকে। অন্যদিকে, নানাবিধ সামাজিক সমস্যাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে নতুন করে কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রেও নানা সংকট দেখা দিয়েছে।
গত ১০ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ জানান, গত চার মাস তথা জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছে।
আনন্দবাজার/শহক









