বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আগের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়।
তামিমের সভাপতি হওয়ার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি রহস্যময় পোস্ট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি একটি সিংহাসনের ছবি শেয়ার করেন, তবে কোনো ধরনের ক্যাপশন দেননি।
এই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও ব্যাখ্যা। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি তামিম ইকবালকে ঘিরেই দেওয়া ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা। কারণ বিসিবির সভাপতির পদ নিয়ে তামিমের আগ্রহ আগে থেকেই স্পষ্ট ছিল বলে ক্রিকেট অঙ্গনে আলোচিত।
এদিন বিকেলে মিরপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিবির বোর্ড ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে নতুন ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির নাম প্রকাশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল এহসান জানান, তদন্তে উঠে এসেছে যে, পূর্ববর্তী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অযৌক্তিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা ব্যক্তিগতভাবে এবং তার এপিএস সাইফুল ইসলামের মাধ্যমে অ্যাডহক কমিটির সদস্য পরিবর্তন এবং পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য প্রভাব বিস্তার করেছেন।
তিনি আরও বলেন, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সভাপতিদের ওপরও চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল, যাতে নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাউন্সিলর হিসেবে মনোনীত করা হয়। এসব কার্যক্রমকে ভোটের ফলাফল প্রভাবিত করার একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে তদন্ত কমিটি।
সব মিলিয়ে, বিসিবিতে নতুন এই পরিবর্তন এবং এর পেছনের অভিযোগগুলো এখন দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।









