ঋণমুক্ত হতে যে দোয়া পড়বেন
প্রকাশ:

বিস্তারিত
মানুষের জীবনে রিজিক, চাহিদা ও প্রয়োজনের কোনো শেষ নেই। জীবনের প্রতিটি ধাপে কখনো অভাব, কখনো আবার অতিরিক্ত চাহিদা ও লোভ মানুষকে অস্থির করে তোলে। এই দুই অবস্থার মাঝে পড়ে অনেক সময় মানুষ না বুঝেই হালাল-হারামের সীমা অতিক্রম করে ফেলে।
কিন্তু একজন মুমিনের প্রকৃত সফলতা হলো সে এমন রিজিক আল্লাহর কাছে চায়, যা হবে পবিত্র, বরকতময় এবং তাকে কখনো হারামের পথে ঠেলে দেবে না। ইসলামে এ কারণেই দোয়ার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
রাসুলুল্লাহ (সা.) এমন একটি দোয়া শিখিয়েছেন, যা শুধু প্রয়োজন পূরণের মাধ্যম নয়, বরং আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা এবং আল্লাহর ওপর নির্ভরতা বাড়ানোর এক অনন্য মাধ্যম।
বিশেষ দোয়া
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بحَلالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালা-লিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াকা।
অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার হালাল রিজিক আমার জন্য যথেষ্ট করো এবং হারাম থেকে আমাকে রক্ষা করো। আর তোমার অনুগ্রহে আমাকে তোমা ছাড়া অন্য সকলের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করে দাও।
(তিরমিজি: ৩/১৮০)
হাদিসে বর্ণিত ঘটনা
একবার হজরত আলী (রা.)–এর কাছে এক ব্যক্তি এসে জানান, তিনি তার ঋণ পরিশোধে অক্ষম। তখন আলী (রা.) তাকে একটি দোয়া শিক্ষা দেন এবং বলেন এটি পাঠ করলে আল্লাহ তাআলা পাহাড়সমান ঋণও সহজ করে দেন।
এই দোয়াটিই পরবর্তীতে মানুষের জীবনে রিজিক ও সমস্যার সমাধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে পরিচিত হয়।
দোয়ার বাস্তব শিক্ষা
এই দোয়া শুধু মুখে পড়ার জন্য নয়, বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এর শিক্ষা বাস্তবায়ন করা জরুরি।
যে বান্দা আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে হালাল রিজিক চায় এবং হারাম থেকে বাঁচার চেষ্টা করে, আল্লাহ তাকে এমনভাবে সাহায্য করেন যা সে নিজেও কল্পনা করতে পারে না।








