বিকাশে ৩১ ঘণ্টায় পেল ৮৫৭ গ্রাহক
- বিতরণ ১৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা
- ই-কেওয়াইসির গ্রাহক খুলছেন হিসাব
সিটি ব্যাংকের ডিজিটাল ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেবাটি চালুর ৩১ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশের ৮৫৭ গ্রাহককে ঋণ দিয়েছে ব্যাংকটি। বিতরণ করা ঋণের অঙ্ক ১৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা। উদ্বোধনের ৩১ ঘণ্টায় এই ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকটি।
বিকাশের মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংকের এই ডিজিটাল ক্ষুদ্রঋণ সেবা চালু হয়। ঋণ পেতে বিকাশ গ্রাহকদের কোথাও যেতে হয়নি। এমনকি কোনো নথিতেও সই করতে হয়নি, দিতে হয়নি জামানত। সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের এক ক্লিকে এ ঋণ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। এর মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল ঋণের যুগে প্রবেশ করল বাংলাদেশ।
শুরুতে বিকাশের সব গ্রাহক এ ঋণ পাচ্ছেন না। কারণ, সিটি ব্যাংক এ ঋণ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে গ্রাহকের কিছু যোগ্যতা নির্ধারণ করেছে। এ জন্য বিকাশের অনেক গ্রাহক ঋণের চেষ্টা করেও পাচ্ছেন না।
যারা ব্যর্থ হচ্ছেন, তাদের বিকাশের অ্যাপে দেখানো হচ্ছে, ‘দুঃখিত… আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ প্রদানের নীতিমালা অনুযায়ী আপনার বিকাশ হিসাব এখনো ঋণসেবার জন্য উপযুক্ত নয়।’বিকাশ কর্তৃপক্ষ বলছে, শুধু বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তথ্য সরবরাহ করে (ই-কেওয়াইসি) যেসব গ্রাহক বিকাশ হিসাব খুলেছেন, তারাই শুরুতে ডিজিটাল ঋণ পাচ্ছেন। পাশাপাশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে নিয়মিত লেনদেনকারীদের।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা বলছে, বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে ই-কেওয়াইসির মাধ্যমে যারা গ্রাহক হয়েছেন, তারাই শুধু ঋণ পাবেন। আর সিটি ব্যাংকের ভাষ্য, ঋণ পেতে গ্রাহককে দীর্ঘদিন বিকাশ অ্যাপস ব্যবহার করতে হবে। যেহেতু বিকাশের লেনদেন পর্যালোচনা করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ধারণ করে দিচ্ছে কারা ঋণ পাবেন, তাই গ্রাহক যত বেশি বিকাশে লেনদেন করবেন, ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে তারাই অগ্রাধিকার পাবেন।
নানা মানদণ্ড বিবেচনায় যোগ্য গ্রাহকদের ৯ শতাংশ সুদে ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে সিটি ব্যাংক। এর মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ৩ মাস। তিনটি মাসিক কিস্তিতে বিকাশ অ্যাপ থেকেই ঋণ পরিশোধ করা যাবে।
আনন্দবাজার/শহক









