নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষায় দেশের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নবগঠিত সরকার। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নবগঠিত এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থমন্ত্রী। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীসহ সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা ও সাতটি মন্ত্রণালয়ের সচিবগণ। আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই যেন সাধারণ মানুষ এই কার্ডের সুবিধা পেতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়ে কমিটিকে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই কমিটি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের একটি যোপযুগী নকশা এবং সুবিধাভোগী নির্বাচনের স্বচ্ছ পদ্ধতি প্রণয়ন করবে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেশের আটটি বিভাগের আটটি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্যতম প্রধান কাজ হবে সুবিধাভোগীদের একটি ডিজিটাল ডেটাবেইস তৈরি করা, যা জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউসহোল্ড ডেটাবেইসের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকবে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সার্বিক সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে এবং প্রয়োজনে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা রাখবে। মূলত নারীদের জন্য প্রচলিত অন্য কোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে এই কার্ডের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, সেটিও পর্যালোচনা করবে এই কমিটি। সরকারের এই দ্রুত পদক্ষেপ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।









