- চাওয়া পুনর্বীমা ব্যবসার ৫০ শতাংশ
- বর্তমান লাইফ ফান্ড ২০৪৯ কোটি টাকা
বাংলাদেশের বিমা শিল্প জাতীয়করণ করা হয় ১৯৭২ সালে। উদ্দেশ্যে ছিলো দেশের সাধারণ মানুষের কাছে জীবন বিমার সুফল পৌঁছে দেওয়া। শুরুতে জীবন বিমা ব্যবসায় নিয়োজিত ৩৭টি কোম্পানি নিয়ে গঠন করা হয় সুরমা ও রূপসা নামে দুটি করপোরেশন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে করপোরেশন দুটির সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় জীবন বীমা করপোরেশন।
জীবন বিমা, শিশু সুরক্ষা পলিসি, বন্ধকী সুরক্ষা পলিসি, মেয়াদি গ্রুপ পলিসি ও অন্যান্যসহ মোট ৩৪টি পলিসি নিয়ে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। ১৭টি বাণিজ্যিক ভবন ও ১৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘাটতি নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে জীবন বীমা করপোরেশন। এসময় লাইফ ফান্ড ২১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা এবং প্রিমিয়াম ছিলো ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সারাদেশে ৮টি আঞ্চলিক, ১২টি কর্পোরেট, ৮১টি সেলস ও শাখা অফিস রয়েছে ৪৫২টি। প্রতিষ্ঠার কয়েক দশক পর প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক সংকটে পড়েছে। ২০১৯ সালের শেষে জীবন বীমা করপোরেশনের লাইফ ফান্ডের পরিমাণ ২ হাজার ৪৯ দশমিক ৩৭ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রণালয়ে দেওয়া এক চিঠিতে করপোরেশন জানায়, ১৯৮৪ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ১৩টি বেসরকারি বীমা কোম্পানির পুনর্বিমা সুবিধা প্রদান করেছে জীবন বীমা। তবে বীমা করপোরেশন আইন, ১৯৯০ (সংশোধিত)- এর পর বীমা কোম্পানিগুলো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে বীমা করতে শুরু করে। যা এখনো চলমান রয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, লাইফ ইন্সুরেন্স অ্যাকচুয়ারি, হাসান স্কট অডিরনো, এফএসএ- জীবন বিমা করপোরেশনের প্রতিবেদন পূনমূল্যায়ন করে জানিয়েছে ঘাটতিতে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
আনন্দবাজা/শহক









