ইন্টারনেট সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমানো গেলে গ্রাহকদের কাছে আরও সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা পৌঁছানো সম্ভব। দেশ ডিজিটাল হলেও কিন্তু অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের সুযোগ না থাকা। সেবায় ব্যবহৃত রাউটার, মডেম, ক্যাবল ইত্যাদির মত ছোট সরঞ্জামের উপর আরোপিত উচ্চ ভ্যাটের কারণে এখনও গ্রাহকদের কাছে ইন্টারনেট সহজলভ্য নয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) পরিচালক ও কমিটির ডিরেক্টর ইন চার্জ সৈয়দ সাদাত আলমাস কবির এ কথা বলেন।
সংগঠনটির কার্যালয়ে আয়োজিত আধুনিক যোগাযোগ, নেটওয়ার্কিং এবং বিপিও বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
কবির বলেন, দেশে অ্যাকটিভ শেয়ারিং বা কার্যকর বণ্টনের অনুমতি নেই। ইন্টারনেট সরবরাহ খরচ তাই অনেক বেশি। উপরন্তু সরবরাহ সরঞ্জামগুলোর উপর উচ্চ ভ্যাট। এসব কারণে গ্রাহকদের এখনও উচ্চ মূল্যে কিনতে হচ্ছে ইন্টারনেট। অ্যাকটিভ শেয়ারিং এর অনুমতি পেলে সরবরাহ খরচ অনেক কমে আসবে। এছাড়া দেশে সর্বত্র ইন্টারনেট পৌঁছানোর একটা অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে এখন। এ সময়ে ইন্টারনেট সরবরাহ সরঞ্জামগুলোর উপর ভ্যাট কমানো হলে সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট পৌঁছানো সম্ভব হবে দেশের সব অঞ্চলে। সরকারের রাজস্ব বাড়বে।
আউটসোর্সিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মত একটি দেশে বিপিও (বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং) অত্যন্ত জরুরি। গার্মেন্টস খাতের মত এ খাতেরও ব্যাপক প্রসার সম্ভব এদেশে। এজন্য বিপিও প্রসার বাড়াতে হবে।
এফবিসিসিআই’র স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান শরীফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সহ-সভাপতি এম এ মোমেন।









