এখনো রাজধানীর বাজারে কাটেনি ঈদের আমেজ। ফলে নিত্যপণ্যের বিক্রিও তুলনামূলক কম হয়েছে। তবে বেশিরভাগ পণ্যের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে কাঁচামরিচ ও সোনালি মুরগির দাম ।
আজ রবিবার (২২ মার্চ) রাজধানীর বাজার ঘুরে এমন তথ্য পামুওয়া গেছে। মিরপুরের ২ নম্বর সেকশন বাজারে দেখা যায়, মাত্র তিনটি সবজির দোকান খোলা রয়েছে, যেখানে সাধারণত অন্যান্য দিনে ১০-১২টি দোকান চালু থাকে। সকাল সাড়ে ১০টা বাজলেও পুরোপুরি খোলেনি অনেক দোকান।
ব্যবসায়ীরা জানিয়ছে , ঈদ উপলক্ষে অনেকেই গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় খুব কম দোকানই খোলা হয়েছে।
একই চিত্র দেখা গেছে মিরপুর-১৪ ও মিরপুর-১৩ এলাকার বাজারগুলোতেও। চাল-ডাল, পেঁয়াজ-রসুনসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দোকানের বড় অংশই বন্ধ রয়েছে।
সবজির বাজারে বেগুন ৭০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, শসা ৮০-৯০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, বরবটি ও পটল ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচের দাম বেড়ে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়।
চালের বাজারে সরু চাল ৭৫-৮০ টাকা, বিআর-২৮ চাল ৬০ টাকা এবং গুটি চাল ৫৫ টাকা কেজি। ডালের মধ্যে মসুর ডাল ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, মুগ ডাল ১৬৫ টাকা এবং ছোলার ডাল ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের সরবরাহও কম থাকলেও দাম আগের মতোই- ছোট ইলিশ ১১০০ টাকা এবং মাঝারি ইলিশ ১৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। রুই-কাতলা ২৩০ থেকে ৬৫০ টাকা পর্যন্ত, চিংড়ি ৭৫০ টাকা এবং শিং মাছ ৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের মধ্যে গরুর মাংস ৮০০-৮৫০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ২২০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে, ঈদের ছুটির কারণে রাজধানীর বাজারে এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসেনি। ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-উভয়ের উপস্থিতি কম থাকায় বাজারে কিছুটা স্থবিরতা বিরাজ করছে।









