আসন্ন ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)। আসন্ন অর্থবছরের জন্য এডিপির আকার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩ কোটি টাকা। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় আগামী অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে এনইসি সম্মেলন কক্ষের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন।
সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের জন্য দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকার মূল এডিপির প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা অথবা কর্পোরেশনের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে পাওয়া যাবে ৯ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে আসন্ন অর্থবছরের এডিপির আকার দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩ কোটি টাকা। এই হিসাবে আসন্ন অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেট চলতি সংশোধিত এডিপির চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি। এই উন্নয়ন বাজেটের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৭০ কোটি টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য থেকে ৯৫ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা পাওয়া যাবে।
এই মোট হিসাব থেকে সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৯ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা পাওয়া যাবে। এই হিসাবে আসন্ন অর্থবছরের এডিপির আকার দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩ কোটি টাকা।
কোন খাত কত বরাদ্দ পেয়েছে- পরিবহন ও যোগাযোগে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ৬৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যা মোট বরাদ্দের প্রায় ২৯ শতাংশ; বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ হাজার ৪১২ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের ১৬ শতাংশ; শিক্ষায় তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা ৩৮ লাখ টাকা। মোট বরাদ্দের প্রায় ১২ শতাংশ; গৃহায়ন ও গণপূর্তে ২৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের প্রায় ১০ শতাংশ; স্বাস্থ্যতে প্রায় ১৯ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের প্রায় ৮ শতাংশ; স্থানীয় সরকারে ১৬ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের ৬ দশমিক ৬৯ শতাংশ; কৃষিতে ১০ হাজার ১৪৩ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের ৪ দশমিক ১২ শতাংশ; পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদে ৯ হাজার ৮৫৯ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের ৪ শতাংশ; শিল্পে ৫ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের ২ দশমিক ২০ শতাংশ; বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তিতে ৪ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা। যা মোট বরাদ্দের ১ দশমিক ৭০ শতাংশ।









