নিজস্ব প্রতিবেদক: তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়ানোর এই মুহূর্তে কোনো সিদ্ধান্ত নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এলপিজি আমদানিকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকার নির্ধারিত মূল্য কার্যকর রাখতে এবং ব্যবসায়ীদের কারসাজি রোধে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বাজারে নজরদারি বাড়ানো হবে।
সারা দেশে ১২ কেজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৩৫৬ টাকা হলেও বিভিন্ন স্থানে এর চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী এই বৈঠকের আয়োজন করেন। তিনি জানান, আমদানিকারকরা ব্যবসার স্বার্থে মূল্য পুনর্বিবেচনার (প্রাইস রিভিউ) কিছু তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেছেন। তবে মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “যদি তাদের দাবি তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে যৌক্তিক ও সমর্থনযোগ্য হয়, তবেই সরকার তা বিবেচনা করবে। কারণ কেউ লোকসান দিয়ে ব্যবসা করবে না। কিন্তু আপাতত দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”
বৈঠকে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, খুচরা পর্যায়ে অনেক বিক্রেতা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ‘মার্কেট অ্যাবিউজ’ বা কারসাজি করার চেষ্টা করেন, যার সঙ্গে আমদানিকারকদের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভোক্তারা যেন কোনোভাবেই বিড়ম্বনার শিকার না হন, সে জন্য আগামী দিন থেকে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে বাজারে কঠোর তদারকি চালানো হবে।
৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে বাজারে অনেক আমদানিকারক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতাও দেশীয় মূল্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। এসব সংকট মোকাবিলায় সরকার বেসরকারি আমদানিকারকদের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং খুচরা বিক্রেতাদের দৌরাত্ম্য রুখতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।









